সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২
MIMS 24
অপরাধ আইন ও বিচার আন্তর্জাতিক এই মাত্র ব্রেকিং

কানাডায় পাকিস্তানের অধিকারকর্মী কারিমার মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলছেন স্বজনরা, দাবী সুষ্ঠু তদন্তের

নিখোঁজ হওয়ার এক দিনের মাথায় কানাডার টরন্টোয় শরণার্থী হিসেবে বসবাসরত পাকিস্তানের অধিকারকর্মী কারিমা মেহরাবের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড এবং এতে পাকিস্তান সরকারের হাত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তার স্বজনরা। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তেরও দাবি জানান।

পাকিস্তান সরকার ও সামরিক বাহিনীর কট্টর সমালোচক ছিলেন পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশের অন্যতম তরুণ অধিকারকর্মী কারিমা। বেলুচদের অধিকার দাবিতে আন্দোলন করতে থাকায় একসময় কারিমা বেলুচ নামে পরিচিত হয়ে উঠতে থাকেন তিনি। বর্তমানে কানাডায় বসবাসরত কারিমা গত রবিবার নিখোঁজ হন। পরদিন তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এখন পর্যন্ত পুলিশ তাঁর মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত না করলেও অধিকারগোষ্ঠীগুলোর দাবি, তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে তারা।

রবিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় বে স্ট্রিটে ও কুইন্স কুয়ে ওয়েস্ট এলাকায় কারিমাকে শেষবারের মতো জীবিত অবস্থায় দেখা যায় বলে জানিয়েছেন টরন্টো পুলিশ, কারিমার বন্ধু ও সহকর্মীরা। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে এটিকে এখনো হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখছে না পুলিশ। এ ব্যাপারে সন্দেহজনক কিছুই পাওয়া যায়নি।

পাকিস্তানি অন্য অধিকারকর্মীরা, বিশেষ করে যাঁরা নির্বাসনে আছেন, তাঁরা মনে করছেন, পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার দাবিতে এবং সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন গোষ্ঠী পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। কারিমা অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে এই লড়াইয়ে জড়িত ছিলেন। আর এতে জড়িতদের গুম করে দেওয়ার অভিযোগ অনেক দিন ধরেই পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে রয়েছে। এ কারণেই কারিমার মৃত্যুকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে মানতে নারাজ তাঁর স্বজন ও সহযোদ্ধারা।

২০০৬ সালে বেলুচিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা বেলুচ স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনের আজাদ শাখায় (বিএসও-এ) যোগ দেন কারিমা । ওই সংগঠনের প্রধান জাহিদ বেলুচ ২০১৪ সালে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর সংগঠনটির নেতৃত্বে আসেন তিনি। ২০১৬ সালে বিবিসির ১০০ প্রেরণাদানকারী ও প্রভাবশালী নারীর তালিকা ছিলেন করিমা। বারবার প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ায় কানাডায় চলে যান এবং ২০১৭ সালে সেখানে স্থায়ীভাবে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করেন।

Related posts

বিশ্বে অনাহারের ঝুঁকিতে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ: জাতিসংঘ

Mims 24 : Powered by information

বরিশাল বিভাগে পানিতে মলের জীবাণু

Irani Biswash

বিশ্বে করোনায় আরও সাড়ে ৭ হাজার মানুষের প্রাণহানি

razzak

Leave a Comment

Translate »