অক্টোবর ১, ২০২২
MIMS 24
এই মাত্র কোভিড ১৯ কোলকাতা চ্যাপ্টার প্রিয় লেখক ব্রেকিং মু: মাহবুবুর রহমান স্বাস্থ্য

ভারত থেকে টিকা রপ্তানিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই

মুমাহবুবুর রহমান 

ভারত থেকে করোনা টিকা রপ্তানি নিয়ে কোনো বাঁধা নেই। টিকা রপ্তানি নিয়ে চলমান বিভ্রান্তি দূর করে সিরাম ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়ার প্রধান নির্বাহী আদর পুনাওয়ালা এ তথ্য জানিয়েছেন। তার বক্তব্য নিয়ে দুদিন ধরে বিভ্রান্তি চলার পর মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারী ২০২১)  টুইট করে এ কথা জানান সিরাম ইন্সটিটিউটের প্রধান নির্বাহী।

টুইটে আদর পুনাওয়ালা বলেন, যেহেতু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে, সেহেতু আমি বিষয়টি পরিষ্কার করতে চাই; ভারত থেকে যেকোনো দেশে টিকা রপ্তানির অনুমোদন রয়েছে। সিরাম প্রধানের বক্তব্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে করোনার টিকা আমদানি নিয়ে বিভ্রান্তি দূর হলো।অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্যোগে করোনাভাইরাসের যে টিকা তৈরি হয়েছে, তার উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া।

গত ৩রা জানুয়ারী বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করে যে, অক্সফোর্ড- স্ট্রাজেনেকার টিকা প্রথম কয়েক মাস বিদেশে রপ্তানি করবে না ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সিরাম ইন্সটিটিউট। এপিকে দেয়া সিরাম ইন্সটিটিউটের প্রধানের বক্তব্যের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে– কয়েক মাসের জন্য ভ্যাকসিন রপ্তানির অনুমতি দেবে না ভারত সরকার। দেশটির জনগণ যাতে যথাযথভাবে ভ্যাকসিন পায় সে জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমে সিরাম প্রধানের এ বক্তব্য ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশসহ যেসব দেশ সিরামের মাধ্যমে টিকা পাওয়ার চুক্তি করেছে, তারা টিকা পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় পড়ে যায়। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত সিরামের তৈরি কোভিশিল্ড নামের ওই করোনা টিকার তিন কোটি ডোজ কিনতে গত ৫ নভেম্বর সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার।

চুক্তি অনুযায়ী সিরাম ইন্সটিটিউট ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশকে এ তিন কোটি ডোজ টিকা দেয়ার কথা। প্রতি মাসে ৫০ লাখ টিকা আসবে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ৪ঠা জানুয়ারী ২০২১ এই টিকা আমদানি ও জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনও দিয়েছে।

এদিকে ভারতের স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণও জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন রপ্তানিতে ভারত কোন নিষেধাজ্ঞা দেয়নি। ৫ই জানুয়ারী স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ বিষয়ক সব ধরনের গুজবকে নাকচ করে দেন। ভারত থেকে করোনা টিকা রপ্তানি নিয়ে দ্বিধা ও সংশয় তৈরি হওয়ার প্রেক্ষিতে ভ্যাকসিন রপ্তানিতে ভারত সরকারের কোনো ধরনের বাঁধা নেই বলে পরিস্কার করেন ভারতের স্বাস্থ্যসচিব।

এছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কে না জড়িয়ে অনুমোদন পাওয়া দুই ভ্যাকসিনের উৎপাদনকারী দু’টি প্রতিষ্ঠান – সিরাম ইনস্টিটিউট এবং ভারত বায়োটেক দেশে-বিদেশে ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। যেখানে ভ্যাকসিন উন্নয়ন, উৎপাদন ও রপ্তানির ব্যাপারে ঐক্যমত্যের বিষয়টি উঠে আসে। বিবৃতিতে বলা হয়, মানুষের জীবন রক্ষাই তাদের আসল উদ্দেশ্য।

বিশ্বে উৎপাদিত করোনা টিকার মধ্যে ৬০ শতাংশ উৎপাদন করছে ভারত। অনেক দেশই ভারতের কাছ থেকে করোনার টিকা নিতে আগ্রহী। দেশটি ইতিমধ্যে জরুরি ব্যবহারের জন্য করোনার দুটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে। এর একটি হলো অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনার টিকা যেটা কোভিশিল্ড নামে উৎপাদন করছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট। অন্য টিকাটি তৈরি করেছে ভারতীয় কোম্পানি ভারত বায়োটেক, যার নাম দেয়া হয়েছে কোভ্যাক্সিন।

Related posts

চীনের করোনা ভ্যাকসিন কার্যকর ও নিরাপদ দাবি

Mims 24 : Powered by information

বিসিবি নির্বাচনে আবারও পাপন-সুজনের জয়

razzak

হজের প্রস্তুতি হিসেবে সৌদি সরকারের নতুন উদ্যোগ

razzak

Leave a Comment

Translate »