ডিসেম্বর ৩, ২০২২
MIMS 24
এই মাত্র কোভিড ১৯ প্রিয় লেখক ব্রেকিং মু: মাহবুবুর রহমান স্বাস্থ্য

নরওয়েতে ফাইজারের টিকা নেয়ার পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯, পরামর্শ চেয়েছে অস্ট্রেলিয়া

মু: মাহবুবুর রহমান

নরওয়েতে ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনা টিকা নেয়ার পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ জনে দাঁড়িয়েছে। আর করোনা ভ্যাকসিনে প্রাণহানির ঘটনায় নরওয়ের জরুরি পরামর্শ চেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। একইসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ফাইজার কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও জানতে চেয়েছে দেশটি।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারী) নরওয়ের কর্তৃপক্ষকে উদ্ধৃত করে ২৩ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ। সবশেষ তারা জানিয়েছে, নতুন করে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রথমে যে ২৩ জনের মৃত্যুর খবর দেয়া হয়েছিল, তাদের সবার বয়স ছিল ৮০ বছরের বেশি। তবে নতুন করে যে ৬ জনের মৃত্যুর তথ্য দেয়া হয়েছে, তাদের বয়স ৭৫ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনার পর অতিবৃদ্ধ ও দীর্ঘমেয়াদে অসুস্থ মানুষের জন্য ফাইজারের ভ্যাকসিনকে ‘মারাত্মক ঝুঁকি’ হিসেবে অভিহিত করেছে নরওয়ে।

গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ফাইজার এবং জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন নরওয়ের ৩০ হাজারেরও বেশি অধিবাসী। ঝুঁকি বিবেচনায় প্রথম ধাপে দেশটিতে বয়োজ্যেষ্ঠদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেয়া হচ্ছিল। টিকা নেয়ার পর যারা মারা গেছেন তারা সবাই বয়োজ্যেষ্ঠ, যাদের প্রত্যেকের বয়স ৭৫ বছরের বেশি।

নরওয়ের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘এরইমধ্যে ১৩ জনের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হয়েছে।’ কর্তৃপক্ষ জানায় সবগুলো মৃত্যুই ‘বয়স্কদের, যারা টিকা নেয়ার পর ভয়ানক শারীরিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছিলেন।’ বাকী ১৬ জনের মৃত্যুর ঘটনাও তদন্তাধীন বলে জানিয়েছে নরওয়ের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া নরওয়েতে এসব ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখার ঘোষণা দিয়েছে ফাইজার কর্তৃপক্ষও। নরওয়ে সরকারকে পাঠানো এক ইমেইলে তারা জানিয়েছে, এখনও মৃত্যুর সংখ্যাটা বিরাট উদ্বেগজনক নয়। তাই দ্রুত বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হবে।

এদিকে টিকা নেয়ার বিষয়ে নরওয়ের জরুরি পরামর্শ চেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। কেননা, ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনা ভ্যাকসিনটির এক কোটি ডোজ কিনতে ফাইজারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ারও চুক্তি রয়েছে। ফলে এ নিয়ে যাবতীয় সংশয় দূর করতে চায় দেশটি। বিষয়টি নিয়ে ফাইজার কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও জানতে চেয়েছে ক্যানবেরা।

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী গ্রেগ হান্ট বলেন, তাঁর সরকার ব্যাপক সাবধানতার সঙ্গে অগ্রসর হচ্ছে‍। যদিও টিকাদানের ব্যাপারে শিডিউলের কোনো পরিবর্তন এখনো করেনি অস্ট্রেলীয় সরকার। আর অস্ট্রেলিয়ার প্রধান ভ্যাকসিন নিয়ন্ত্রক জানিয়েছেন, তার দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সম্পর্কিত যে কোনও ঝুঁকি তদন্তের জন্য কাজ চালিয়ে যাবে।

Related posts

দক্ষিণ কোরিয়ায় হ্যালোইন উৎসবে পদদলিত হয়ে নিহত ১৪৬, আহত দেড় শতাধিক

Mims 24 : Powered by information

আজ বাংলাবান্ধা বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

razzak

ম্যাগসেসে পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী

razzak

Leave a Comment

Translate »