ডিসেম্বর ৮, ২০২২
MIMS 24
আন্তর্জাতিক প্রিয় লেখক ব্রেকিং মু: মাহবুবুর রহমান

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে আছে ওআইসি

মু: মাহবুবুর রহমান

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছে ওআইসি (ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা)। রোহিঙ্গারা যাতে আত্মমর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে মিয়ানমারে ফিরতে পারেন, সেজন্য ওআইসি কাজ করছে। রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ের পক্ষে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে) তে যে মামলা চলছে—সেখানেও যাতে রোহিঙ্গা নাগরিকেরা ন্যায়বিচার পান, তার জন্য আইনি লড়াইয়েও সহযোগিতা করবে ওআইসি।

রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের উখিয়ার ৪নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন ওআইসির সহকারী মহাসচিব ইউসেফ আলডোবেয়া। তিনি বলেন, ‘‘ওআইসি চায় রোহিঙ্গারা আত্মমর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে মিয়ানমারে ফিরে যাক। সেজন্য আন্তর্জাতিকভাবে ঐকমত্য তৈরিতে কাজ করছে ওআইসি।’’

এর আগে সংস্থাটির সহকারী মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল উখিয়ার ক্যাম্পে পৌছে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে ওআইসি প্রতিনিধি দলের পাঁচ সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নয়জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বৈঠকে ৭৬ জন রোহিঙ্গা নেতা (মাঝি) অংশ নেয়।

বৈঠকে কয়েকজন রোহিঙ্গা নেতা ওআইসি সহকারী মহাসচিবের উদ্দেশে বলেন, ‘‘মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বর অত্যাচার–নির্যাতনের মুখে তাঁরা জন্মভূমি ত্যাগ করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন। কিন্তু গত সাড়ে তিন বছরেও তাঁরা ফিরে যেতে পারছেন না। রোহিঙ্গা মুসলমানদের মিয়ানমার সরকার সে দেশের নাগরিক বলেও স্বীকার করছে না। এ ক্ষেত্রে ওআইসির হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’’

জবাবে ওআইসি সহকারী মহাসচিব বলেন, ‘‘আত্মমর্যাদার সঙ্গে রোহিঙ্গা মুসলমানরা যাতে নিজ জন্মভূমিতে (মিয়ানমারে) ফিরে যেতে পারে, সে ব্যাপারে ভূমিকা রাখছে ওআইসি।’’

কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাওয়ার আগে ওআইসি প্রতিনিধি দলটি হেলিকপ্টার যোগে ভাসানচরে যান। সেখানে তারা কক্সবাজার থেকে স্বেচ্ছায় ভাসানচরে স্থানান্তর রোহিঙ্গাদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন। ভাসানচরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, তাঁরা (রোহিঙ্গারা) স্বেচ্ছায় কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীর ভাসানচরের আশ্রয়শিবিরে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে কেউ তাঁদের চাপ দিচ্ছে না।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা শুরু হলে পরের কয়েক মাসে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়। এর আগে থেকেই বাংলাদেশে অবস্থান করছে আরও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। বর্তমানে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্পে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ১১ লাখ।

Related posts

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ আর নেই

Mims 24 : Powered by information

অভিবাসী-পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে মালয়েশিয়া

razzak

আবার বাজারে আসছে ব্যান হওয়া পাবজি মোবাইল

Irani Biswash

Leave a Comment

Translate »