অর্থনীতি এই মাত্র ব্রেকিং

মুজিব শতবর্ষের শ্রেষ্ঠ চিত্রকর্ম শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু

 নিজস্ব সংবাদদাতা: বগুড়ার শেরপুর উপজেরার ভবানীপুর ইউনিয়নের বালেন্দা গ্রামে ১০০ বিঘা জমির উপরে ফসলের চিত্রকর্ম ভেসে উঠতে শুরু করেছে। এর আয়তন ১২ লাখ ৯২ হাজার বর্গফুট। শস্যচিত্রটির দৈর্ঘ্য ৪০০ মিটার এবং প্রস্থ ৩০০ মিটার।

গত ২৯ জানুয়ারী আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমসহ স্থানীয় জনপ্রতিধিরা ধানের চারা রোপনের মাধ্যমে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন। গঠিত জাতীয় পরিষদের উদ্যোগে এবং ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার নামে একটি প্রাইভেট কোম্পানীর অর্থায়নে প্রতীকৃতিটি তৈরি করা হয়েছে।

আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে বিশ্বের সর্ববৃহৎ শস্যচিত্র হিসেবে বিশ্বদরবারে উন্মোচিত হবে। উদ্যোগ্তারা মনে করেন কৃষিপ্রধান সবুজ বাংলার বিশাল ক্যানভাসকে ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধুকে তুলে ধরতে একটি নতুন ধরনের চিত্রকর্ম সম্পন্ন হয়েছে। যা বিশ্ববাসির কাছে আবারও মাটি ও মানুষের তথা কৃষক দরদি হয়ে উঠবে বঙ্গবন্ধুর নাম।

গিনিস বুকে নাম লেখাতে হলে কয়েকটি বৈশিষ্ট্য পুরন করতে হয়। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের শর্তে বলা হয়েছে, দুটি ভিন্ন রঙের শস্যের ব্যবহার থাকতে হবে। এখানে তার পূর্নতা এসেছে। শস্যেও ৪০ ভাগ হবে বেজ, আর ৬০ ভাগ হতে হবে মূল ইমেজ। এই শস্যচিত্রে সেই বিষয়টি সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

ভিন্ন ভিন্ন দুটি রঙের শস্য ব্যবহার করা হয়েছে। শস্যেও যে ঘনত্বেও কথা উল্লেখ রয়েছে, তাও পরিপূর্নভাবে মানা হয়েছে। শস্যচিত্রে কোন কৃত্রিম রং ব্যবহার করা যাবে না। এখানে সম্পূর্ন প্রাকৃতিকভাবে শস্য দিয়ে তৈরি করা হয়েছে শস্যচিত্রটি। যা এক ফসল থেকে অন্য ফসলকে সহজেই আলাদা করা যাচ্ছে। এখানে সাধারন সবুজ ধানের চারা এবং ভয়োলেট ও ডিপ ভায়োলেট রংয়ের ধানের চারা ব্যবহার করা হয়েছে।

এছাড়া শস্যচিত্রে যেভাবে বঙ্গবন্ধুকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তার সাথে স্কেচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর শতভাগ মিল রয়েছে। এমনকি স্কেচের সাথে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর রঙের শতভাগ মিল রয়েছে। ড্রোন থেকে তোলা ছবি শতভাগ ঠিক আছে।

এছাড়া অন্য শর্তটি ছিল সম্প্রতি কোন রেকর্ডকৃত শস্যচিত্রের চেয়ে দৈর্ঘ্যে বড় হতে হবে। আমরা জানি, সম্প্রতি চীনের একটি শস্যচিত্রের দৈর্ঘ্য ছিল ৭৫ বিঘা। এখানে শস্যচিত্রের দৈর্ঘ্য আছে ১০০ বিঘা। সুতরাং সবগুলো শর্ত পূরণ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আগামী ২৬ মার্চে গিনেস বুকের ফলাফল জানা যাবে। যেহেতু করোনা সময় চলছে তাই বিদেশী প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে তথ্য সংগ্রহ করতে আসতে পারেনি। এ কারণে বাংলাদেশের দুজন কৃষিবিদকে গিনিস বুক অব ওয়ার্ল্ডের প্রতিনিধি হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক এমদাদুল হক চৌধুরী।

Related posts

আইপিএল: কে কোন পুরস্কার পেল

razzak

পাকিস্তানের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী কে এই শাহবাজ

razzak

রড দিয়ে মারামারি, বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর

razzak

Leave a Comment

Translate »