কোভিড ১৯ জাতীয় নারী বাংলাদেশ বিনোদন ব্রেকিং স্বাস্থ্য

কবরীকে নিয়ে ববিতার স্মৃতিচারণ

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের দুই কিংবদন্তী অভিনেত্রী ববিতা ও কবরী। একজন পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। অন্যজন হৃদয়ে শোকগাঁথা নিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন। তিনি বলেন –

কয়দিন ধরেই কবরী আপাকে নিয়ে বিভিন্ন আপডেট খুব আগ্রহ সহকারে দেখছিলাম। তিনি করোনায় আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি, আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে- আস্তে আস্তে এমন কিছু দুঃসংবাদ আসতে লাগলো, কিন্তু আমার মনের জোর বাড়তে থাকলো। বারবারই মনে হচ্ছিল কবরী আপার জন্য এগুলো বড় কোনও বিষয়ই নয়। তিনি ঠিকই হাসিমুখে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আসবেন।

গতকাল ১৭ এপ্রিল মধ্যরাতে আমার সে বিশ্বাস ভেঙে গেল। তাহাজ্জুদের নামাজের জন্য রাত ১টার দিকে ঘুম থেকে উঠেছি, ঠিক তখনই একটা এসএমএস এলো- কবরী আপা নেই। আমি ভাবলাম, এটা নায়ক ফারুক ভাইয়ের মতোই হয়তো কোনও গুজব। বিশ্বাস করিনি। কিন্তু মনটা খচখচ করায় টিভিটা ছাড়লাম। তখন দেখলাম, অবিশ্বাস্য সংবাদটি- কবরী আর নেই!

কবরী আপার সঙ্গে আমার সম্পর্ক অনেক বছরের। কয়েক দশক আমরা একই জায়গায় (বিএফডিসি) কাজ করেছি। ১৯৬৯ সালে জহির ভাইয়ের (জহির রায়হান) ‘শেষ পর্যন্ত’ ছবির শুটিং করতে এফডিসিতে যাই, তখনই কবরী আপা রাজ্জাক ভাইকে শুটিং করতে দেখি। তাদের ‘ময়নামতি’ নামের ছবি আমি নিজে হলে গিয়ে দেখেছি। আমি উনার ভক্ত ছিলাম। তার সঙ্গে মস্কো ফিল্ম ফেস্টিভালে গিয়েছিলাম। এত এত দশকে অজস্র আড্ডায় সময় পার করলেও তার সঙ্গে কাজ করেছি মাত্র দুটি ছবিতে। এরমধ্যে ‘সোনার হরিণ’ সিনেমায় প্রথম কাজ করি (পরিচালক সিরাজুল ইসলাম)। এতে অনেক তারকাই ছিলেন (কবরী, শাবানা, ববিতা, রাজ্জাক, বুলবুল আহমেদ, সুচরিতা)। তবে আমাদের শুটিং হয়েছিল আলাদা।

সর্বশেষ কাজ করি ‘রাজা সূর্য খাঁ’ ছবিতে। তখন কবরী আপা সংসদ সদস্য। ছবির পরিচালক গাজী মাহবুব বললেন, ‘আমি চাচ্ছি, আপনারা দু’জন কাজটা করেন।’ আমি বললাম, ‘আচ্ছা, আমি নিজে কবরী আপাকে ফোন দিচ্ছি।’ ফোন দিলাম এবং এক সঙ্গে কাজ করেছি।

একাজ করার সময়ই অনেক আড্ডা দেওয়ার সুযোগ হয়। আমরা যেন পুরনো দিনগুলোতে ফিরে যাই। কত শত স্মৃতি, আলোচনা!

সর্বশেষ কাজ করি ‘রাজা সূর্য খাঁ’ ছবিতে। তখন কবরী আপা সংসদ সদস্য। ছবির পরিচালক গাজী মাহবুব বললেন, ‘আমি চাচ্ছি, আপনারা দু’জন কাজটা করেন।’ আমি বললাম, ‘আচ্ছা, আমি নিজে কবরী আপাকে ফোন দিচ্ছি।’ ফোন দিলাম এবং এক সঙ্গে কাজ করেছি।

একাজ করার সময়ই অনেক আড্ডা দেওয়ার সুযোগ হয়। আমরা যেন পুরনো দিনগুলোতে ফিরে যাই। কত শত স্মৃতি, আলোচনা!

Related posts

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মধ্যে ৬টি সমঝোতা স্মারকে সই

Mims 24 : Powered by information

করোনাকালে বৈদেশিক ঋণের প্রবৃদ্ধি ৪২ শতাংশেরও বেশি

razzak

কানাডায় ট্রাক চালকদের আন্দোলন, কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত ট্রুডোর

razzak

Leave a Comment

Translate »