আইন ও বিচার কোভিড ১৯ জাতীয় ধর্ম ও জীবন বাংলাদেশ বিনোদন ব্রেকিং স্বাস্থ্য

করোনা উপেক্ষা করে বিনোদনের খোঁজে সাধারণ মানুষ

নিজস্ব সংবাদদাতা: ঈদ মানে আনন্দ। এই দিনে পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে যাওয়া, আত্মীয়-স্বজনের বাসায় যাওয়া, সবশেষে বিকেলে ঘুরতে যাওয়া, এ যেন চিরাচরিত প্রথা। গত বছরের মতো এবছরও প্রচলিত প্রথা ভেঙ্গে সকলকে ঘরবন্দি থাকার কথা বলেছে সরকার। তবে বাঙালির মন বলে কথা। ঈদের বিকেলে কোন ভাবেই ঘরবন্দি থাকেনি নগরবাসি।  শিশু সন্তান, স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক প্রেমিকা, বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের পদচারণয় মুখর হয়ে উঠে রাজধানীর পর্যটন স্পটগুলো। বিকেলে হাতিরঝিল, সংসদ ভবন এলাকা ও রমনা উদ্যানের আশেপাশে মানুষের প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে। অনেককে করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি না মেনেও ঈদ উদযাপন করতে দেখ গেছে। আবার করোনার কারণে বিনোদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকলেও সেসবের প্রধান ফটকের সামনে সাধারণ মানুষকে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। বিনোদন কেন্দ্রের উদ্দেশ্য এলেও তারা আশেপাশের এলাকায়ই উৎসব মুখর সময় কাটিয়েছেন।

শুক্রবার (১৪ মে) দুপুরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘরের সামনে অনেককেই অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। করোনার কারণে বন্ধ রয়েছে এই জাদুঘরটি। একই অবস্থা দেখা যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারর সামনে। সেখানেও অপেক্ষায় ছিলেন সাধারণ মানুষ। বাইরে অপেক্ষমাণ অনেককেই ছবি তুলতে দেখা গেছে। দলবেধে আড্ডা দিচ্ছিলেন তারা। রমনা পার্কের সামনেও ছিল অনুরূপ চিত্র। সেখানে ফুটপাতে বসার স্থানে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করছিলেন নগরবাসী।
পরিবার নিয়ে মালিবাগ থেকে রমনা পার্কে এসেছিলেন এক বাসিন্দা। তিনি বলেন, আগে থেকেই জানি বন্ধ। তারপরেও বাচ্চারা ঘরে থাকতে চাচ্ছিল না। তাই ওদের নিয়ে এসেছি। ঈদের দিন ঘরের বাইরে এসে আনন্দ লাগছে। এ রকম হাজারো সাধারন মানুষ পরিবার নিয়ে বেরিয়েছেন ঈদের খুশি ভাগাভাগি করতে। সমস্ত সরকারী বিনোদন স্থানগুলো বন্ধ থাকলেও খোলা ছিল হাতিরঝিল। এখানে সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছিল। বসেছিল কেনা-বেচার বাজার। হরেক রকম পণ্য নিয়ে বিক্রেতা ও ক্রেতার মিলন মেলায় পরিণত হয়েছিল। ছিল না সামাজিক দূরত্ব কিংবা করোনা সুরক্ষা।

Related posts

অবৈধ সম্পদ অর্জন: বাবরের ৮ বছরের কারাদণ্ড

razzak

ঢাকায় এসেছে ভারতের উপহার ২০ লাখ ডোজ করোনার টিকা

Mims 24 : Powered by information

করোনার ভ্যাকসিন তৈরির পর বিদেশেও রফতানি করবো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

razzak

Leave a Comment

Translate »