অর্থনীতি আন্তর্জাতিক জনদুর্ভোগ জাতীয় জীবনধারা বাংলাদেশ ব্রেকিং

মালেশিয়ার সাথে মুক্ত বানিজ্যের পরামর্শ ব্যবসায়ীদের

রাজধানীতে বুধবার এক ভার্চুয়াল আলোচনায় এমন পরামর্শ শুনে বিষয়টি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানান।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জিডিপির আকার কাছাকাছি হলেও আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে বিপরীত অবস্থানে রয়েছে দেশ দুটি। ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যসহ অর্থনীতির নানা সূচকে মালয়েশিয়া থেকে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

২০১৯ সালে মালয়েশিয়ার জিডিপির আকার ছিল ৩৬৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে বাংলাদেশের জিডিপির আকার ছিল ৩২৯ বিলিয়ন ডলার। ওই বছর বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১৯৭০ ডলার হলেও মালয়েশিয়ার মাথাপিছু আয় ছিল ১১ হাজার ৪১৪ ডলার।

এর অন্যতম কারণ হচ্ছে- বাংলাদেশে জনসংখ্যা মালয়েশিয়ার চেয়ে ৫ গুণ বেশি। অথচ মালয়েশিয়া আয়তনে বাংলাদেশের চেয়ে তিনগুণ বড়।

২০১৯ সালে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ, যেখানে মালয়েশিয়ার ছিল ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া এফটিএ:  চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অপারচুনিটি’ শীর্ষক আলোচনায় এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন আলোচকরা।

সঞ্চালক বিএমসিসিআই সভাপতি রাকিব মোহাম্মদ ফখরুল (রকি) বলেন, বাংলাদেশ ২০২৪ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে মধ্য-আয়ের দেশে উন্নীত হলে রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা হারাতে হবে এবং প্রচুর বাণিজ্য হারাতে হবে। তখন বাণিজ্য সুবিধা মূলত দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির উপর নির্ভর করবে।

“এফটিএ এবং পিটিএর মতো চুক্তিগুলো বাংলাদেশকে শুল্ক সুবিধা পেতে সহায়তা করবে। উভয় দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়েরই এটির জন্য প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন,“ বলেন তিনি।

Related posts

প্রথমবারের শপথ নিলেন ইসরাইলে নিযুক্ত আমিরাতের রাষ্ট্রদূত

Mims 24 : Powered by information

ফাইজারের টিকা  আসবে সোমবার রাতে

Irani Biswash

আফ্রিদির রেকর্ডে ভাগ বসালেন সাকিব

razzak

Leave a Comment

Translate »