ডিসেম্বর ১, ২০২২
MIMS 24
অপরাধ আইন ও বিচার আন্তর্জাতিক জনদুর্ভোগ জাতীয় জীবনধারা দুর্ঘটনা বাংলাদেশ ব্রেকিং

ভারতে নারী পাচারকারী চক্রের মূলহোতা ৭ জন গ্রেফতার

নিজস্ব সংবাদদাতা:   ভারতে নারী পাচারকারী চক্রের মূলহোতা নদী ও জয়াসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগ।

সোমবার (২১ জুন) বিকেলে নড়াইল ও যশোর জেরার সীমান্ত এলাকা অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ভারত থেকে পালিয়ে আসা ভুক্তভোগী তরুণীর দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হবে।

সোমবার সন্ধ্যায় ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গ্রেফতার সাত জনকে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে। আগামীকাল (মঙ্গলবার, ২২ জুন) তাদের আদালতে উপস্থিত করা হবে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমরা আদালতের কাছে রিমান্ড আবেদন করব।

জানা গেছে, ভারত থেকে পালিয়ে আসা যে তরুণী হাতিরঝিল থানায় মামলা করেছিলেন, তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এর আগে সাতক্ষীরা এলাকা থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছিল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

পুলিশ বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়— ওই পাচার চক্রের মূল হোতাদের মধ্যে অন্যতম দু’জন নদী ও জয়া। তাদের সঙ্গেই যুক্ত টিকটক হৃদয়ও। এই চক্রটির মাধ্যমেই অল্প বয়সী মেয়েদের ফাঁদে ফেলে পাচারের জন্য নিয়ে আসা হতো। এসব তথ্যের ভিত্তিতেই  চক্রের নারী পাচারকারী নদী ও জয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ডিসি শহীদুল্লাহ বলেন, এই দু’জনের (নদী ও জয়া) সঙ্গে আরও পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদের আরও কারও জড়িত থাকার কথা বেরিয়ে এলে তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

প্রসঙ্গত, টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়, অতঃপর টিকটক স্টার বানানোর কথা বলে মগবাজার এলাকার এক তরুণীকে ভারতে পাচার করে দেওয়া হয়। সেখানে ধারাবাহিক শারীরিক ও বিকৃত যৌন নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী কৌশলে ৭৭ দিন পর দেশে পালিয়ে আসেন। গত ১ জুন রাতে হাতিরঝিল থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা (নং-৩) দায়ের করেন ভুক্তভোগী তরুণী। মামলায় ১২ জনকে আসামি করা হয়।

ভারতফেরত ওই তরুণী জানান, সেখানে অবস্থান করার সময় তিনি আরও অনেক বাংলাদেশি তরুণীকে দেখেছেন। যারা বিভিন্ন সময়ে এই চক্রের মাধ্যমে পাচার হয়েছেন।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ জুন দিনগত রাতে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী দাবকপাড়া কালিয়ানী এলাকা থেকে মেহেদী হাসান বাবু, মহিউদ্দিন ও আব্দুল কাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরে গত ৭ জুন দেশের সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ওই সংঘববদ্ধ আন্তর্জাতিক মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য আমিরুল ইসলাম (৩২) ও আবদুস সালাম মোল্লাকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে ডিএমপি তেজগাঁও বিভাগ। যারা ভারতে প্রায় এক হাজার নারীকে পাচারে সীমান্ত পার হতে সরাসরি সহায়তা করেছেন।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতার আসামিদের কাছ থেকে পাচারের ব্যবহৃত ২টি মোটরসাইকেল, একটি ডায়েরি, ৪টি মোবাইল ও ১টি ভারতীয় সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। পাচারের শিকার মামলার বাদী তরুণীসহ এক হাজারের বেশি নারী পাচারে জড়িত ছিলেন গ্রেফতার মেহেদী হাসান বাবু। তার ডায়েরিতে নারী পাচারের সব তথ্য রয়েছে।

Related posts

রাশিয়ার বাইরে রুশ টিকা ‘স্পুটনিক ভি’ এর প্রয়োগ শুরু

Mims 24 : Powered by information

ডিএমপি সহকারী পুলিশ কমিশনারদের বদলি

Irani Biswash

ভারত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রসহ চার দেশের নৌমহড়া

razzak

Leave a Comment

Translate »