অক্টোবর ১, ২০২২
MIMS 24
বাংলাদেশ

কক্সবাজারে পানিবন্দী লাখো মানুষ খাদ্যসংকটে

টানা চার দিনের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারে জেলার ৯টি উপজেলার পাঁচ শতাধিক গ্রামের অন্তত দুই লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী থাকায় গ্রামগুলোতে দেখা দিয়েছে খাদ্য ও খাবার পানির সংকট। রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় ও পানিতে তলিয়ে থাকায় চলাচলের কোনো উপায় নেই। এতে এসব গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

বিপর্যয় ঠেকাতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন মাঠে নেমেছে। তারা দুর্গত এলাকার লোকজনকে সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসছে। পাহাড়ে ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকেও সরিয়ে আনা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, জেলার পেকুয়া, চকরিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, কক্সবাজার সদর, টেকনাফ, উখিয়া, রামু ও ঈদগাঁও উপজেলার অন্তত ৫২টি ইউনিয়নের ৫৫ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তাদের কষ্ট লাঘবে ইতিমধ্যে ৩০০ মেট্রিক টন চাল, দুই হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার, নগদ ১৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু বেসরকারি সংস্থা, কতিপয় ব্যক্তি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। বৃষ্টি কমে যাওয়ায় শুক্রবার থেকে বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি কমতে শুরু করেছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গত ৪ দিনে জেলায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৩৯২ মিলিমিটার। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ৯টি উপজেলার ৫২টি ইউনিয়নে ৭৬ হাজার ৫০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব পরিবারের দুই লাখের বেশি মানুষ এখনো পানিবন্দী। বানের পানিতে বিলীন হয়েছে ৪ হাজার ২৫৬ হেক্টর মৎস্য ঘের ও পুকুর। পানিতে তলিয়ে আছে ৫ হাজার ৭৫৯ হেক্টর চাষের জমি। গত চার দিনে জেলার বিভিন্ন স্থানে ভূমিধস ও ঢলের পানিতে ভেসে অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২৭ জুলাই পাহাড়ধসে ও বানের পানিতে ছয় রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়। একই দিন মহেশখালীতে বাড়ির দেয়ালচাপায় এক নারী ও টেকনাফে পাহাড়ধসে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়।

Related posts

এইচএসসির ফলাফলে বৃত্তি প্রদান

Irani Biswash

করোনায় মৃত্যু ২২৬

Irani Biswash

জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

Irani Biswash

Leave a Comment

Translate »