সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২
MIMS 24
এই মাত্র জাতীয় ব্রেকিং

আমরা ক্ষমতায় বলে করোনা মোকাবেলা সম্ভব হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দলকে তৃণমূল পর্যায় থেকে আরো শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন আসছে, কাজেই দলকে আরো শক্তিশালী করে তোলার বিষয়ে আমাদের মনযোগী হতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভার প্রারম্ভিক ভাষণে তিনি একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, এবারের করোনাভাইরাসের সময় আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সেভাবে আর কোনো রাজনৈতিক দলকে মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি। এই ব্যাপারে অন্য দলগুলোর কোনো আগ্রহ ছিল না। তাদের কাজই ছিল প্রতিদিন টেলিভিশনে বক্তৃতা বা বিবৃতি দেওয়া এবং আওয়ামী লীগের একটু সমালোচনা করা। তাদের যেন একটাই কাজ আওয়ামী লীগকে দোষারোপ করতেই হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের সময় সরকারের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই খুব আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। তবে, কখনো সরকারের একার পক্ষে এই ধরনের পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব ছিল না।

তিনি বলেন, আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়েছে একটাই কারণে, আমাদের একটা শক্তিশালী সংগঠন তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত আছে। আর সেটা আছে বলেই আমরা এটা করতে সক্ষম হয়েছি। যেটা আমার বিশ্বাস। আমি জানি একথা কেউ হয়তো বলবেও না লিখবেও না, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এককভাবে শুধু সরকারি লোক দিয়ে সবকিছু করা সম্ভব হয় না। তারাও করেছে খুব আন্তরিকতার সাথে। আমাদের প্রশাসনে যে যেখানে ছিল বা পুলিশ বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, বিডিআর, আনসার প্রত্যেকে এবং বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মীরা।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রথম দিকে একটু ভীতি ছিল কিন্তু সরকারের প্রণোদনা এবং উৎসাহে তারা কাজ করতে পেরেছে। হাজার হাজার ডাক্তার এবং নার্স আমরা নিয়োগ দিয়ে চেষ্টা করেছি করোনা মোকাবেলা করার জন্য। আবার ভ্যাকসিন কেনার ব্যাপারে আমরা সবার আগে উদ্যোগ নিয়েছি।

তিনি বলেন, আমাদের বিপদ হয়ে গিয়েছিল ভারতে এত ব্যাপকহারে করোনা দেখা দিল যে, চুক্তি থাকা সত্বেও তারা ভ্যাকসিন সাপ্লাই দিতে পারছিল না। তারপরেও আমরা পৃথিবীর যেখান থেকে পেরেছি ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেছি এবং এখন আর সমস্যা হবে না। আমরা নিয়মিত পাব এবং আমাদের দেশের মানুষকে আমরা দিতে পারব। কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা মানুষের কোনো কাজের সুযোগ ছিল না, ঘরে বন্দি, খাবারের অভাব। সেই সময় আমাদের নেতাকর্মীরা প্রত্যেকে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে।

এ সময় তিনি দরের বহু নেতা-কর্মীর মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, কত মানুষকে যে আমরা হারালাম। এমন কোনো দিন নেই যে, মৃত্যু সংবাদ না আসতো। আজকেও কিছুক্ষণ আগে খবর পেয়েছি ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফির স্ত্রী মারা গেছেন। তিনি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে আছে বলেই দেশের উন্নতি হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারে আছে বলেই এই করোনা মোকাবেলা সম্ভব হয়েছে। আর আওয়ামী লীগ আছে বলেই মানুষ অন্তত সেবা পাচ্ছে। কারণ অতীত অভিজ্ঞতা আছে এবং যারা আমাদের সমালোচনা করেন তাদের শুধু বলব, ’অতীতে আমাদের দেশে কি অবস্থা ছিল? ‘৭৫ এর পর থেকে ‘৯৬ পর্যন্ত কি অবস্থাটা ছিল, সেটা যেন তারা একটু উপলব্ধি করে। তবে, কিছু ভাড়াটে লোক রয়েছে সারাক্ষণ মাইক লাগিয়ে বলতেই থাকবে।

Related posts

লকডাউন অমান্য করে ভ্রমন : কানাডার অন্টারিও প্রদেশের অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ

Mims 24 : Powered by information

লিলকে হারিয়ে কোয়ার্টারে এক পা চেলসির, হোঁচট জুভেন্টাসের

razzak

চলচ্চিত্রের আড়ালে খারাপ ব্যবসা করতেন পরীমনি: ডিবির হারুন

razzak

Leave a Comment

Translate »