অক্টোবর ৫, ২০২২
MIMS 24
আইন ও বিচার এই মাত্র ক্রয় বিক্রয় জাতীয় জীবনধারা বাংলাদেশ ব্রেকিং স্বাস্থ্য

ওষুধ আইন ২০২২ এর খসড়া অনুমোদন, সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর জেল

ওষুধ সংক্রান্ত অনিয়ম ও অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রেখে, ওষুধ আইন-২০২২ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠকের পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, এটা অনেক বড় আইন। এই আইনে ১০৩ টা ধারা রয়েছে। তিনি জানান, ওষুধ প্রশাসন কীভাবে চলবে, ওষুধের মান কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে, সেসব ঠিক করার জন্য একটি নির্বাহী পর্ষদ থাকবে।

“বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ওষুধ উৎপাদন, বিক্রি, মজুদ, বিতরণ ইত্যাদির জন্য কীভাবে লাইসেন্স প্রদান করা হবে, ফি কী হবে, লাইসেন্সপ্রাপ্তির যোগ্যতা কী থাকবে- এগুলো তারা ঠিক করবে।”

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, লাইসেন্সে আবার যদি কেউ ভুলত্রুটি করে বা অন্যায় কিছু করে, তাহলে কীভাবে তার লাইসেন্স স্হগিত করা যাবে সেটাও এই আইনে উল্লেখ করা আছে। কেউ যদি তার লাইসেন্সের বাইরে কিছু উৎপাদন  করে তাহলে সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া যাবে সেগুলোও উল্লেখ করা আছে।

তিনি বলেন, সরকারি ওষুধ, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ এগুলো কোনোভাবেই যেন আর্থিক লেনদেনের মধ্যে না আসে। লাইসেন্স ছাড়া কোনো ওষুধ আমদানি করা যাবে না।

এ আইন ভাঙলে ‘ব্যাপক’ শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, লাইসেন্স ছাড়া কেউ ওষুধ আমদানি করলে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। এ আইনে এটাই সর্বোচ্চ শাস্তি।

নিবন্ধন ছাড়া কেউ ওষুধ উৎপাদন করলে, উৎপাদন করে আমদানি-রপ্তানি, বিক্রি, বিতরণ, মজুদ অথবা প্রদর্শন করলেও ১০ বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

ভেজাল ওষুধ তৈরি, বিক্রি, মজুদ করলেও একই মাত্রায় শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে খসড়ায়। তাছাড়া সরকারি ওষুধ চুরি করে যদি কেউ বিক্রি করে, তাহলেও ১০ বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ওষুধ সংক্রান্ত অপরাধের বিচারের জন্য প্রত্যেক জেলা সদরে একটি করে আদালত থাকবে। ড্রাগ অথরিটি তদন্ত করবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ১৯৮২ সালের ‘ড্রাগ অর্ডিন্যান্স’এবং ১৯৪০ সালের ড্রাগ অ্যাক্ট দিয়ে এতদিন চলছিল, এখন এটা আপগ্রেড করা হলো। পাশাপাশি ১৯৮৪ সালের ওষুধ নীতিমালা একটা বড় গাইডলাইন হিসেবে কাজ করেছে। অর্থাৎ পুরানো আইনগুলোকে সমন্বিত ও হালনাগাদ করে এখন নতুন ওষুধ আইন হচ্ছে।

Related posts

জ্বলছে ইউক্রেন

razzak

রাজধানীতে ঘিরে রাখা বাড়ি থেকে ৫ ‘শিবির কর্মী’ আটক

razzak

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসতে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

razzak

Leave a Comment

Translate »