ফেব্রুয়ারী ২, ২০২৩
MIMS 24
আন্তর্জাতিক এই মাত্র এই মাত্র পাওয়া জাতীয় টেকনোলজি বাংলাদেশ ব্রেকিং ব্রেকিং নিউজ যুক্তরাষ্ট্র স্বাস্থ্য

প্রথম বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যালস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকটেবল ওষুধ রপ্তানি শুরু করলো এসকেএফ

প্রথম বাংলাদেশি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য (ইনজেকটেবল) ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে এসকেএফ।

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ওষুধের বাজার যুক্তরাষ্ট্রে এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি ওষুধ কোম্পানি ইনজেকটেবল ওষুধ রপ্তানি শুরু করল। এই অর্জন শুধু এসকেএফের জন্য নয়, বাংলাদেশের সমগ্র ওষুধশিল্পের জন্যই অত্যন্ত গর্বের বিষয়। সোমবার (২১ নভেম্বর) এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনের জন্য এসকেএফের কারখানা যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পায়।  বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ এ অনুমোদন পায় এসকেএফ।

এ ছাড়া, এসকেএফের ফারাজ আয়াজ হোসেন ভবনের সলিড ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটিও এফডিএ অনুমোদিত।

এফডিএর অনুমোদন ছাড়াও যুক্তরাজ্যের এমএইচআরএ, ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের জিএমপি, ব্রাজিলের এনভিসা, অস্ট্রেলিয়ার টিজিএর মতো বিশ্বের নামকরা ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন লাভ করেছে এসকেএফ যা এই প্রতিষ্ঠানের অর্জনকে সমৃদ্ধ করেছে।

করোনা মহামারির সময়ও এসকেএফ জীবনরক্ষাকারী ওষুধ রপ্তানিতে সাফল্য অর্জন করে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি ৩টি অ্যান্টি-কোভিড জেনেরিক ওষুধ— রেমডেসিভির (রেমিভির), মলনুপিরাভির (মনুভির) এবং নির্মাট্রেলভির ও রিটোনাভির সংমিশ্রণ (প্যাক্সোভির) উৎপাদন ও বাজারজাত করে।

এসকেএফ এসব জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিশ্বের ৪৮টি দেশে রপ্তানি করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার ৬৮টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।

ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (গ্রুপ সিইও) ও এসকেএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সিমিন রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আজ এসকেএফ এক অনন্যসাধারণ মাইলফলক অতিক্রম করল। এর ফলে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৃহত্তম বাজারে মানসম্পন্ন ইনজেকটেবল ওষুধ রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সক্ষমতার স্বাক্ষর রাখতে পেরেছি। এ সাফল্যযাত্রায় আমাদের লক্ষ্য হলো নতুন ইনজেকটেবল ওষুধ ও প্রযুক্তিনির্ভর অন্যান্য প্রয়োজনীয় ওষুধ উৎপাদনের মাধ্যমে রোগীর অপূরণীয় চাহিদা পূরণ করা। আর্তমানবতার সেবার মহান ব্রত পূরণে ভবিষ্যতেও অবিচল থাকবে এসকেএফের এই পথচলা।’

Related posts

নেই সেলফি, আছে মানবতার ইফতার বিতরণ

Irani Biswash

এবার সাউদাম্পটনকে ৪-০ গোলে হারাল লিভারপুল

razzak

সিলেট বিভাগে ৩০ ধরনের করোনা ভাইরাসের সন্ধান

Mims 24 : Powered by information

Leave a Comment

Translate »