অভিমত অর্থনীতি আইন ও বিচার আন্তর্জাতিক এই মাত্র পাওয়া জাতীয় জীবনধারা প্রবাস কথা বাংলাদেশ রাজনীতি শিক্ষা সংগঠন সংবাদ সম্পাদকীয় সেবামূলক কাজ

প্রত‍্যাশায় ও সম্মানে বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিপরিষদ

প্রথম -পর্ব

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার মন্ত্রীত্বের আসন সাজালেন যেসব দেশরত্নরা তাঁদের ছবি একসাথে দেখে নবীণ আশার সঞ্চার হয়েছে সবার মনে। দেশবাসীসহ দেশের বাইরে যারা আছেন তাঁদের প্রত‍্যাশা এসব সুযোগ‍্য সন্তানদের হাত ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ যেন সর্বক্ষেত্রে আলোকময় হয়ে উঠে। সবার প্রত‍্যাশা সব মানুষের সুষম নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। দুর্নীতির সমূলে বিনাশ হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের চলমান গতিধারা অব‍্যাহত থাকবে। সেইসাথে রোধ হবে বিদেশে অবৈধ অর্থপাচার। ফিরে আসবে সেইসব অর্থ যারা ইতোমধ‍্যে বিদেশে দেশের জনগণের অর্থ পাচার করে করে গড়ে তোলেছেন অবৈধ আর্থিক সম্রাজ‍্য। ঋণখেলাপি ও অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ ব‍্যাংক ঋণ গ্রহণকারীদের আগ্রাসন কঠোরভাবে প্রতিরোধ হবে। অর্থাৎ একটি সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের রুপরেখা প্রণীত ও বাস্তবায়িত হবে দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে সর্বক্ষেত্রে। গ্রামীণ উন্নয়নকে প্রাধান‍্য দিয়ে শিল্পখাতের উন্নয়নে অধিক গতি সঞ্চার একান্ত প্রয়োজন। দেশে সুস্হির সামাজিক ও আর্থিক অবস্হা স্হিতিশীল রাখার জন‍্য কৃষিনির্ভর গ্রামীণ অর্থনীতিকে সর্বদা অধিক সম্মান করা দরকার। কৃষকের উৎপাদনের গতিশীলতা রক্ষা ও তাঁদের উৎপাদিত পণ‍্যের নির্ভেজাল বাজারজাতকরণ ও ন‍্যায‍্য দাম নিশ্চত করা একান্ত প্রয়োজন। গ্রামীণ অর্থনীতির সুন্দর বিকাশের মধ‍্য দিয়ে সুস্হির শান্তিপূর্ণ গ্রামীণ সামাজিক সম্পর্ক ও জীবন বিকশিত হবে। ফলে শিল্পোন্নয়ে অধিক মনযোগী ও রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে জাপানের একটি উদাহরণ সংযুক্ত করতে চাই। জাপানে সুশি খাবার খুব প্রসিদ্ধ। সুশি খাবারের মূল উপকরণ হল আঁঠালো চাল বা স্টিকি রাইচ। এই রাইচ উৎপাদন করে এই দ্বীপ রাষ্ট্রের গ্রামীণ কৃষকেরা। জাপান সরকার এই রাইচ কৃষকদের নিকট থেকে অধিক দামে কিনে নিয়ে ন‍্যায‍্য সুলভ দামে দেশের জনসাধারণের কাছে বিক্রি করে। অথচ এই চাল জাপান সরকার পার্শ্ববর্তী কৃষিপ্রধান দেশগুলো থেকে অর্ধেক দামে কিনতে পারে। কিন্তু জাপান সরকার সেটি না করে দেশের কৃষকেরা যাতে কৃষিকাজে জড়িত থাকে সেজন‍্য দেশীয় কৃষকদের উৎপাদিত রাইচ অধিক দামে কিনে। ফলে কৃষকদের মধ‍্যে প্রশান্তি, এক সুস্হির গ্রামীণ সম্পর্ক বিনির্মাণে অতি কার্যকরী ভূমিকা রেখে চলেছে। যার ফলে সরাকার ও শিল্প বিকাশের সাথে জড়িত জনগোষ্ঠী নিশ্চিন্তে নির্ভাবনায় শিল্পোন্নয়নের মধ‍্য দিয়ে সমৃদ্ধ জাপান গড়ে তোলার জন‍্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জাপানী বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদদের এ বিষয়ে মন্তব‍্য জাপান যদি বহিঃশক্তি দ্বারা আক্রান্ত হয়  তবে এই দ্বীপ রাষ্ট্রের জনগণ তো আর টয়োটা গাড়ী খেয়ে বাঁচতে পারবে না। এজন‍্য জাপানে কৃষকের খুব সম্মান যারা গোটা দেশের মানুষের মূখে সুশি খাবার তোলে দেয়। তাছাড়াও নাকি জাপান সরকার কৃষকদেরকে বিশেষ সম্মানী সার্টিফিকেট প্রদান করে। যে সার্টিফিকেট প্রদর্শন করে কৃষকেরা সম্মানের সাথে সরকারী সেবা সহজে ও দ্রুত পেয়ে থাকেন। আমাদের দেশেও কৃষকদের এমন সুযোগ ও সম্মানের জায়গা তৈরী করতে হবে। ফলে গ্রামীণ প্রশান্ত সমাজ বিনির্মাণ করবে দেশকে দ্রুত শিল্পোন্নয়নে এগিয়ে যাবার নিশ্চিন্ত সুস্হির পরিবেশ। মনে রাখা প্রয়োজন যেকোন উন্নয়নের পূর্বশর্ত শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ। তাই প্রয়োজন কৃষি, অর্থ, শিল্প, খাদ‍্য, মৎস‍্য, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, সমাজকল‍্যাণ, আইন, ধর্ম, রেলপথ মন্ত্রণালয় সমুহ এক্ষেত্রে একযোগে সুন্দর পরিকল্পনা প্রনয়ণ করে কাজ করা প্রয়োজন।

সভ‍্যতা বিকাশে যেমন সবচেয়ে কালজয়ী ভূমিকা পালন করেছে কৃষির বিকাশ। তেমনি মানব সভ‍্যতার সুস্হ অগ্রগতি ও কর্মধারা বিনির্মাণে ভূমিকা রেখেছে সামাজিক সম্প্রীতি। কোন সমাজের সুশৃঙ্খল, সুন্দর, সুশীল বিকাশের জন‍্য সামাজিক সম্প্রীতি প্রাণবায়ু স্বরুপ। তাই সমাজে ধর্মে, বর্ণে, গোত্রে গোত্রে, নারী পুরুষে, সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ও সংখ‍্যালঘুদের মধ‍্যে সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করার এক মহতী ও নিবিড় প্রচেষ্টার সৃজন খুবই জরুরী। কারণ অতি গুরুত্বপূর্ণ সুস্হ সামাজিক সঞ্চালকের এই বিষয়টি রাষ্ট্রীয়ভাবে মনযোগের জায়গা দখল করতে পারেনি বলে সামাজিক সম্প্রীতি দিন দিন ক্ষয়িষ্ণু পথের রেখায় অগ্রসর হচ্ছে। ফলে সংখ‍্যালঘু ও আদিবাসীরা বিভিন্ন সময় নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে সংখ‍্যাগরিষ্টের দ্বারা। অনেকে আবার চৌদ্দ পরুষের ভিটে বাড়ী ফেলে শুধু একটু শান্তির অন্বষণে পাড়ি জমাচ্ছে ভারতে। এ অবস্হা একটি দেশের বৈচিত্র্যময় টেকসই উন্নয়ন ও ইতিবাচক ভাবমূর্তির চরম পরিপন্হি। তাই সবার যাতে সম অধিকার নিয়ে রাষ্ট্রের সম্মানিত নাগরিক হিসাবে বসবাসের যোগ‍্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হয় তা রাষ্ট্রকেই সুনিশ্চিত করতে হবে। আর এই মহৎ কাজটি করতে পারলে প্রতিটি নাগরিক তাঁর নিজ নিজ অবস্হান থেকে তাঁদের পারঙ্গমতা ও সক্ষমতা নিয়ে আনন্দে নিজ সুন্দর কর্মে তথা দেশের উন্নয়নে নির্ভাবনায় অংশ নিবে। ফলে দেশের শ্রমের সঠিক ব‍্যবহার হবে। দুশ্চিন্তা, অন‍্যায‍্য, অনাচারে মানুষের সৌভাগ্যের প্রসূতি শ্রম বিফলে নষ্ট হবে না। নাগরিকদের জন‍্য এই মহান দায়িত্ব পালনে সমাজকল‍্যাণ, আইন, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, স্হানীয় সরকার, মুক্তিযুদ্ধ, অর্থ, খাদ‍্য, মৎস, শিক্ষা, ধর্ম, যুব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সমূহকে একাগ্রতার সাথে একযোগে কাজ করা প্রয়োজন।

শিক্ষা হচ্ছে জাতির অন‍্যতম মৌলিক অলংকরণ বা উপাদান। যার জন‍্য কোন জাতিকে সাধনার মধ‍্য দিয়ে ক্রমাগত এর বিকাশ ও উন্নতি প্রয়োজন। শিক্ষাই মানুষের মনের বিকাশ সাধন করে তার মধ‍্যে পূর্ণ সুন্দর মানুষের জন্ম দেয়। যার জন‍্য দেশ, সমাজ, ভবিষ্যৎ প্রতীক্ষা করে তাঁর স্পর্শে দেশকে এগিয়ে নিতে মোহনীয় প্রগতি, জ্ঞান ও বিজ্ঞানের পথ ধরে। কোমলমতি শিশুদের সুন্দর মননের বিকাশ শিক্ষায় জ্ঞান বিজ্ঞানে সাজানো সময়োপযোগী তথ‍্য ভান্ডারের উপর নির্ভর করে। তাই বিশ্বের গুণীজন এই প্রক্রিয়াকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন শিক্ষা মূলতঃ অতি সুন্দর চিন্তা ও জীবন বিকাশের সাধারণ জ্ঞান প্রদান বা অর্জনের একটি সুমহান কাজ বা প্রক্রিয়া, মানুষের মননে যুক্তি এবং বিচারের ক্ষমতা প্রকাশ বা বিকাশ করা এবং সাধারণত নিজেকে বা অন্যকে পরিনত সুন্দর জীবনের জন্য বুদ্ধির পূর্ণতায় বিকশিত করা। তাহলে সহজেই বুঝা যায় এ মহান কাজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং মহৎ এক সাধনার বিষয়। এখানে ভুলের কোন স্হান নেই। দীপ্ত সুন্দর পদক্ষেপে জ্ঞানের পূজায় একজন মহান সাধক হিসাবে অগ্রসর হওয়া প্রতিনিয়ত প্রয়োজন। সুস্হির সুন্দর পরিকল্পনার মধ‍্য দিয়ে এ পূণ‍্যকর্মের প্রতিটি পর্যায় সাজানো দরকার। এখানে ভুল করার অর্থ হচ্ছে জাতিকে যুগযুগান্তর পেছনে ঠেলে দেয়া। অশুভ অসুন্দর মানুষের স্পর্শে জাতির ভাগ‍্যাকাশকে কাজল কালো অমানিশার আঁধারে ঠেলে দেয়া। জ্ঞানের জ‍্যোতিস্নাত সৌরভে সজ্জিত হবার স্বপ্নময় মানুষ না হলে এ অঙ্গনের জ্ঞানের বিচ্ছুরণের অপরুপ অনাদি সৌন্দর্য্য তিনি উপলব্দি ও ধারণ করতে পারবেন না। বিগত দিনে আমরা তাই লক্ষ‍্য করেছি। দেশের শিক্ষা ব‍্যবস্হায় চরম অস্হিরতা, নিম্নমানের তথ‍্য সংযুক্তি, ভুল, উদ্দেশ‍্য প্রনোদিত তথ‍্য সংযোজন, চাপিয়ে দেয়া তথ‍্যের উপস্হিতি, বিজ্ঞান নির্ভর তথ‍্যের পরিবর্তে অবৈজ্ঞানিক তথ‍্যের সমাহার, সুশীল চিন্তার পরিবর্তে অন্ধ চিন্তার প্রকাশসহ আরও কত কি! অটোপাশ বা বেশী নম্বর দিয়ে পাশ করানো বা জিপিএ বাড়িয়ে দেয়ার জন‍্য শিক্ষকদের উপর চাপ প্রয়োগ। অলিক, অবাস্তব, কল্পনাপ্রসূত তথ‍্যের আধিক‍্য। যা শিশুমনের বিকাশ ও স্বপ্ন সৃষ্টিতে অতি দুর্বল ভুমিকায় অবতীর্ণ। এমসিকিউ পদ্ধতির অতিমাত্রায় ব‍্যবহার ছাত্রদের শুধুমাত্র ইংরেজী নয় এমনকি সাধারণ বাংলা বানান পর্যন্ত লেখার সক্ষমতাকে শীর্ণ করে তোলেছে। সোস‍্যাল মিডিয়ায় প্রায়শই চোখে পড়ে। তখন দেশের শিক্ষার এই করুণ অবস্হা দেখে ব‍্যথিত হওয়া ছাড়া উপায় নেই। আমার মত বিশ্বব‍্যাপী যারা দেশের উন্নয়নের ভাবনাকে নিয়ে অবস্হান করছেন তাঁরা শুধু ভাবেন কবে কোন শুভ মূহুর্তে একজন জ্ঞানী সঠিক মানুষের আগমন ঘটবে এ অঙ্গনে। যার স্পর্শে দূর হবে অস্হির, অনুপযোগী ও অচলাবস্থা দেশের শিক্ষা ব‍্যবস্হার অঙ্গন থেকে।

আর পাঠ‍্যক্রমে সৃজনশীলতা সংযোজন আমাদের হাজার বছরের শিক্ষা, সংস্কার, সংস্কৃতি ও জীবনালক্ষ‍্যের সাথে সাযুজ্যপূর্ণ নয়! কারণ শিক্ষার সুমহান ধারা যুগপরিক্রমায় গড়ে উঠে। এখানে প্রতিনিয়ত রদবদল অস্হিরতার জন্ম দেয়। ফলে শিক্ষার মূল উদ্দেশ‍্য হারিয়ে যায় রদবদলের সংস্কৃতিতে। এই সৃজনশীলতা বিষয়টি সম্পর্কে দেশের মানুষ সম্পূর্ণ অন্ধকারে। মা বাবা এবং পরিবারের সদস‍্যরা যারা শিশুদের শিক্ষায় সহায়তাকারী তাঁরা যেমনিভাবে বিষয়টি সম্পর্কে অন্ধকারে ঠিক তেমনিভাবে অন্ধকারে শিক্ষক মহল। ফলে শিশুদের শিক্ষাব‍্যবস্হা এই জটিলতার চরম নাগপাশে আবদ্ধ!

শুনেছি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী একজন সজ্জন,জ্ঞানী এবং বিজ্ঞানমনষ্ক মানুষ। তাঁর কর্মের আন্তরিকতা ও জ্ঞানের দিপালী শিখায় সম্পূর্ণ অন্দকার দূরীভূত হয়ে জ‍্যোতিস্নাত হয়ে উঠবে এ অঙ্গন। সেজে উঠবে আগামীদিনের সমাজ গড়ার সুন্দর প্রাজ্ঞজন তৈরীর জ্ঞান, বিজ্ঞান, তথ‍্য ও তত্বের অপরুপ সুন্দর সমন্বয়ে। সংযুক্ত হবে আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, হাজার বছরের সম্প্রীতির সৌরভে সাজানো আমাদের সামাজিক সম্পর্ক, গৌরবের যত ইতিহাস ও কর্মধারা, সমৃদ্ধিময় শিল্পকর্ম, উন্নত দেশীয় কৃষি পদ্ধতি, কাঁসা পিতল অলংকারসহ মসলিন শিল্পের মত জগৎ বিখ‍্যাত কুটির শিল্পের লীলাভূমি শ‍্যামলী বাংলা, হাজার বছরের শ্রেষ্ট অর্জন আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও শ্রেষ্ট সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের কাহিনী, মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বিশ্বনেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বর্ণালী কর্মময় রাজনৈতিক জীবন ও দর্শন, আমাদের মহান বিজয় ও স্বাধীনতা, আমাদের সংগীত, সাহিত‍্য, জগত আলোকিত বিশ্ব আসরে (নোবেল) বাংলা সাহিত‍্য, কবিতায় সাহিত‍্যে শ‍্যামলী প্রকৃতি, বিদ্রোহের স্পন্দন, শিল্পকলা, চারু কারু শিল্প, সমাজ জাগরণে নারী, নারী নেতৃত্ব ও সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা ও উন্নয়ন, সুশাসন ও রাজনীতি নীতির শ্রেষ্টত্বের আলোকে, জ্ঞান বিজ্ঞানের সাধনায় শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ, জ্ঞান বিজ্ঞানের সধনায় বঙ্গসন্তানদের ভূমিকা,  মানবিক সুন্দর মানুষ হিসাবে সমাজের সম্ভাবনাময় যুবসমাজের বিকাশ, স্বাস্হ‍্য, পরিবেশ, কৃষি উন্নয়ন ও সুরক্ষায় দেশীয় জ্ঞান ও দক্ষতা, সাথে উপমহাদেশীয় ও বিশ্বজনীন জ্ঞান বিজ্ঞান, সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি ও মানব সংস্কৃতি, বিশ্ব প্রগতি ও উন্নয়ন, আবিষ্কার প্রভৃতি। শিল্প, সাহিত‍্য, জ্ঞান, বিজ্ঞান, সংগীত, সমাজকর্ম, রাজনীতি অঙ্গনে দেশের বরেণ‍্য সুশীল সুন্দর ব‍্যক্তিদের সমন্বয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিটি মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও প্রতিনিধিজন এ মহান কার্যক্রমের ক‍্যারিকুলাম প্রনয়ণে অংশগ্রহণ করবেন। এ বিষয়টি সব উন্নয়ন, জ্ঞান, বিজ্ঞানের আগামী দিনের সুতিকাগার। তাই সর্বাদিক গুরুত্বের সাথে এ শুভকর্মে উপরে নির্দশিত সবার অংশগ্রহণ একান্ত  আবশ‍্যকীয়। এতে সবার সুমহান অভিজ্ঞতা ও অতি সমৃদ্ধময় জ্ঞানের আলোকে সেজে উঠবে আমাদের আগামীদিনের স্বপ্নময় অতি সুন্দর সমৃদ্ধ জ্ঞানের আলোকে সজ্জিত সুন্দর মানুষ। যারা সর্বক্ষত্রে সর্বদূর পর্যন্ত আগামী দেখার জ্ঞানচক্ষু লাভ করে দেশকে নিয়ে যাবে স্বপ্নের সোনালী দিগন্তে। এ বিষয়ে  অংশগ্রহণের পূর্বে  অবশ‍্যই সবাইকে গভীরভাবে নিজ নিজ অঙ্গনে অতি আদরে হোম ওয়ার্ক করা প্রয়োজন। (চলবে)

-শৈলেন কুমার দাশ

Related posts

৩ লাখের বেশি আফগান বাস্তুচ্যুত: জাতিসংঘ

razzak

আগামী বছর স্পুটনিক ভি উৎপাদনে যাচ্ছে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস

Irani Biswash

২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশী প্রানহানী

razzak

Leave a Comment

Translate »